ছয় বছরের শিশুকে নির্মমভাবে হত্যা

শিশুটির বয়স ছয় বছর। নাম জারিয়া। বাবা-মায়ের সঙ্গে থাকত মাতুয়াইলের দরবেশ রোডের একটি বাড়িতে। তাদের পাশের কক্ষেই থাকতো রফিকুল ইসলাম নামে এক ব্যক্তি। প্রতিবেশী রফিকুল ইসলাম বিভিন্ন সময় শিশুটিকে আদর করত। সেই রফিকুলই নির্মমভাবে শিশুটিকে হত্যা করেছে। রবিবার রাতে রফিকুলের ঘরের পাশের সানসেট থেকে শিশুটির লাশ উদ্ধার করা হয়। তখন শিশুটির মুখের ভেতরে গুজে দেওয়া গামছা এবং ওড়না ছিল।

পুলিশের ধারণা, শ্বাসরোধে শিশুটিকে হত্যা করা হয়েছে। রবিবার সকাল থেকেই শিশুটিকে খুঁজে পাওয়া যাচ্ছিল না। রাতে পুলিশের সহায়তায় রফিকুল ইসলামের ঘরের পাশে সানসেট থেকে শিশুটির লাশ উদ্ধার করা হয়। প্রতিবেশী রফিকুল হয়তো শিশুটিকে কৌশলে ঘরে নিয়ে ধর্ষণ করার চেষ্টা করেছিল। তখন শিশুটি হয়তো চিত্কার করার চেষ্টা করেছে। ওই সময় মুখ চেপে ধরে রফিকুল। ওই সময় মুখের ভেতর গামছা এবং ওড়না গুজে দেয়। গতকাল সোমবার ময়নাতদন্তের জন্য শিশুটির লাশ স্যার সলিমুল্লাহ মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।

যাত্রাবাড়ী থানার এসআই বিল্লাল হোসেন বলেন, শিশুটিকে শ্বাসরোধে হত্যা করা হয়েছে। তবে তাকে ধর্ষণ করা হয়েছে কি না তা নিশ্চিত হওয়া যায়নি। ময়নাতদন্ত প্রতিবেদন পেলে এ বিষয়ে নিশ্চিত হওয়া যাবে। পুলিশ জানায়, শিশুটির বাবার নাম জাকির হোসেন। মাতুয়াইল এলাকায় তার একটি ছোট্ট দোকান রয়েছে। রবিবার সকাল থেকে জারিয়াকে পাওয়া যাচ্ছিল না। ওই সময় থেকে রফিকুলও নিখোঁজ। দিনভর খোঁজাখুঁজির পর জাকির হোসেন বিষয়টি পুলিশকে জানান। রাত ৮টার দিকে অনেক খোঁজাখুঁজির পর রফিকুলের ঘরের পাশের সানসেট থেকে জারিয়ার লাশ উদ্ধার করা হয়। পুলিশের এসআই বিল্লাল হোসেন বলেন, ঘটনার পর থেকে রফিকুল পলাতক রয়েছে। রফিকুল ওই বাড়িতে ভাড়া থাকত। তার নির্দিষ্ট কোনো পেশা নেই। তাকে গ্রেফতারের চেষ্টা চলছে।

খেলার ছলে গলায় ফাঁস আট বছরের শিশুর মৃত্যু :রাজধানীর যাত্রাবাড়ীতে খেলার ছলে গলায় ফাঁস লেগে আট বছরের শিশু রমজান আলীর মৃত্যু হয়েছে। গতকাল সোমবার বিকেল ৫টার দিকে যাত্রাবাড়ীর বিবিরবাগিচা ঝিলপাড় এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। পুলিশ শিশুটির লাশ উদ্ধার করে স্যার সলিমুল্লাহ মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতাল মর্গে পাঠিয়েছে।

পরিবারের বরাত দিয়ে পুলিশ জানায়, শিশুটির বাবার নাম আবদুস সাত্তার। ঘটনার সময় পরিবারের কেউ বাসায় ছিলেন না। শিশুটি অধিকাংশ সময় ওড়না নিয়ে খেলতো। ঘরের আড়ার সঙ্গে ঝুলন্ত অবস্থায় শিশুটির লাশ পাওয়া যায়। খাট থেকে খুব সহজেই আড়ার নাগাল পাওয়া যায়। শিশুটি নিজেই হয়তো খেলার ছলে আড়ার সঙ্গে ওড়না পেঁচিয়ে গলায় ফাঁস দেয়।

যাত্রাবাড়ী থানার পরিদর্শক (তদন্ত) তোফায়েল আহমেদ জানান, শিশুটির লাশ উদ্ধার করে স্যার সলিমুল্লাহ মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।

Related posts

Leave a Comment